
মোঃ মামুন মিয়া, জেলা প্রতিনিধি শেরপুর
শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের বাছুর আলগা (উত্তর) পাড়ায় অবস্থিত পীরপাল নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার কর্ণধার রাশেদুল ও বাহাদুরের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের প্রতিবাদে স্থানীয় এলাকাবাসী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগে শনিবার (১৪ ডিসেম্বর ২০২৬) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মাহবুবুর আলম রানা বলেন, সম্প্রতি আমাদের এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাশেদুল ও বাহাদুরের নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অংশ।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আক্কাস আলী বলেন, ঘটনার সঙ্গে রাশেদুল ও বাহাদুরের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অসত্য।
অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য নাহিদুজ্জামান বলেন, রাশেদুল ও বাহাদুর দীর্ঘদিন ধরে এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখেছেন। তাদের নামে ছড়ানো অপপ্রচার সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
মাদ্রাসার সাবেক প্রধান শিক্ষক মুনায়েম আকন্দ বলেন, রাশেদুল ও বাহাদুরের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে পীরপাল নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। উল্লেখ্য, রাশেদুল নিজ অর্থায়নে এলাকার দুইটি পাড়ার জন্য কবরস্থান নির্মাণ করে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, যা এলাকাবাসীর নিকট প্রশংসিত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রিনা বেগম বলেন, রাশেদুল ও বাহাদুর শুধু এই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারই নন, তারা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অন্যতম চালিকাশক্তি। তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা সতর্ক করে বলেন, মিথ্যা অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং এলাকাবাসী ও সমাজকে বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করতে সকল যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।