
আনিসুর রহমান সোনারগাঁ প্রতিনিধি
উপজেলার প্রভাবশালী যুবদল নেতা নুরে ইয়াসীন নোফেলকে ম্যানেজ করেই অবৈধ বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট চক্র। অভিযোগ অনুযায়ী, রাতের আঁধারই শুধু নয় দিনের বেলাতেও চলছে এই প্রকাশ্য লুটপাট।
এতে নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলো মারাত্মক ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, এইভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে পুরো এলাকার ভূপ্রকৃতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে।
প্রশাসনের কড়া বার্তাঃ
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর আসিফ আল জিনাত, সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন: “বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত বালু কাটা বন্ধ করা যায়।”
আমান গ্রুপের নীরবতাঃ
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে Aman Group-এর কর্মকর্তা নাজিরুল জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এই নীরবতা নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে—অভিযোগ কি সত্যি?
ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা, স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, নদী ধ্বংস করে অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধ করতে হবে এখনই। প্রশাসনের দ্রুত অভিযান প্রয়োজন। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাদের ভাষায়, “মেঘনা নদী কোনো ব্যবসায়িক খনি নয় এটা আমাদের জীবন ও অস্তিত্বের অংশ। এখন প্রশ্ন একটাই প্রশাসনের নির্দেশ কি বাস্তবে থামাতে পারবে এই প্রভাবশালী বালু সিন্ডিকেট?