
মোঃ মামুন মিয়া, জেলা প্রতিনিধি শেরপুরঃ
সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া –এর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় শেরপুরে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে এতিম, অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে শেরপুর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) শেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
পবিত্র রমজানের তাৎপর্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, এতিম শিশু এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত অসহায় মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানবিক দায়বদ্ধতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে প্রায় তিন শতাধিক এতিম, দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে সমাজের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
ইফতার বিতরণ শেষে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনা করা হয়। এ সময় বিশেষ মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি মহান আল্লাহর কাছে দেশের মানুষের সুখ-শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নতি প্রার্থনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে এ কে এম এনামুল হক বিপু (আহ্বায়ক), জাসাস শেরপুর জেলা শাখা,মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ (সদস্য সচিব) সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আহ্বায়ক এ.কে.এম. এনামুল হক (বিপু) বলেন, সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেক মানুষের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। পবিত্র রমজানের শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজে সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যেই এ ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
সদস্য সচিব মো. হারুন অর রশিদ বলেন, সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক সহায়তা প্রদান করা একটি চলমান সামাজিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও জাসাস শেরপুর জেলা শাখা এ ধরনের সামাজিক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।