
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কুমিল্লার বুড়িচং পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের পূর্ণমতি গ্রামের মালিকানাধীন বারেশ্বর মৌজার কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় একই গ্রামের বালু খেকো জাহাঙ্গীরের নামে থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী কৃষি জমির মালিক। অনুসন্ধানে জানা যায় বালু খেকো ড্রেজার জাহাঙ্গীরের নিজের জমি রয়েছে বারেশ্বর মৌজায়। তিনি নিজের জমি থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে অন্যত্র বিক্রি করেন। ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করার কারণে আশে পাশের কয়েক একর ফসলি জমি নষ্ট হয়ে বিলিন হয়ে যায়। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে কম দামে কৃষি ফসলি জমি কিনে বালু উত্তোলন করে অন্যত্র বিক্রি করেন বালু খেকো জাহাঙ্গীর, ও তার সহযোগীরা। পূর্ণমতি গ্রামে প্রায় ২০০ একর ফসলি জমি বিনষ্ট হয়ে গেছে।ভুক্তভোগীরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করলে উপজেলা প্রশাসন মাঝেমধ্যে অভিযান পরিচালনা করেন। স্থানীয় বিএনপির কতিপয় নেতার নাম বিক্রি করে ড্রেজার জাহাঙ্গীর মানুষকে ভয় ভীতি প্রদর্শন করেন। এ কারনে অনেকে ভয়ে মুখ খুলতে চান না।
মামলার নথি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১১/২/২০২৬ সকাল
১১.৩০ ঘঠিকায় পূর্ণমতিমতি গ্রামের স্থানীয় ভুক্তভোগীর বারেশ্বর মৌজায় ফসলি জমি থেকে বালু উত্তোলন করায় পাশের কয়েকটি জমি ভেঙে সমতলে পরিণত হয়। জমির মালিক অভিযুক্ত ড্রেজার জাহাঙ্গীর কে বিষয়টি জানালে সে জমি ঠিক করিয়া দিবে বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু পরবর্তীতে সে বিভিন্নভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে, এবং স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য বলা হলেও সে কোন কর্ণপাত করে নাই। অভিযোগ রয়েছে সাবেক এক প্রভাবশালী চেয়ারম্যানের নাম বিক্রি করে দীর্ঘদিন এই অবৈধ বালু উত্তোলন করে আসছে। দীর্ঘদিন বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় বাদি থানায় অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত ড্রেজার জাহাঙ্গীর
এর আগে একই ভাবে পূর্ণমতি,টাকই, বারেশ্বরের ফসলি জমি থেকে বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন ভাবে পুকুর, ফসলি জমি,ডোবা, বালু দিয়ে ভরাট করেন।
উল্লেখ্য গত ১৯/৩/২০২৬ তারিখে পূর্ণমতি গ্রামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর হোসেন অভিযান চালিয়ে ড্রেজার
জাহাঙ্গীরের অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও পাইপ বিনষ্ট করেন। অভিযানের খবর পেয়ে ড্রেজার জাহাঙ্গীর পালিয়ে যান।এ বিষয়ে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এই বিষয়ে অভিযোগ এসেছে আমরা তদন্ত করে পরবর্তীতে বিষয়টি জানাতে পারব, মামলা প্রক্রিয়াধীন।