
গাজী কুদ্দুছুর রহমান সোহাগ, কুমিল্লা প্রতিনিধি।
গত তিন দশক ধরে চোখের সামনে বুড়িচং কে তিল তিল করে গড়ে উঠতে দেখেছেন। তিনি এই জনপদের সবার কাছে ম্যাজিকম্যান। প্রান্তিক মানুষের সবুজ চেয়ারম্যান। এই জনপদের রাজপথ থেকে অলিগলি—সবই তার চেনা। বুড়িচং যেমন তার বেড়ে ওঠার সাক্ষী, তিনিও তেমনি এই জনপদের পরিবর্তনের কারিগরদের একজন।
সবুজ চেয়ারম্যান কেবল একজন সফল রাজনীতিবিদ নন, তার বড় পরিচয় তিনি একজন ‘মানবিক মানুষ’। বুড়িচং তথা দেশের যে কোনো প্রান্তে প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবর এলেই সবার আগে যার ছায়া দেখা যায়, তিনি সবুজ চেয়ারম্যান। রাতের নিস্তব্ধতায় যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে, হাড়কাঁপানো শীতে যখন সচ্ছল মানুষ উষ্ণতা খোঁজে, তখন তিনি কম্বল আর শীতবস্ত্র নিয়ে ছুটেন পথশিশু ও নিরাশ্রয় মানুষের দ্বারে দ্বারে।
রাজনীতির মাঠেও তিনি এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দীর্ঘ সময় ধরে যুক্ত আছেন রাজপথের লড়াই-সংগ্রামে। অল্প বয়সে পর পর ২ বার নির্বাচিত হন ৩নং বুড়িচং সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এবং চট্টগ্রাম বিভাগের স্বর্ণপদক প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বর্তমানে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ও বুড়িচং উপজেলা যুবদলের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু ক্ষমতার মোহ বা পদের অহংকার তাকে স্পর্শ করতে পারেনি কখনো। কর্মী-বান্ধব এই নেতা সবসময় সহযোদ্ধাদের বিপদে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। আন্দোলনে গিয়ে যারা জেল-জুলুম বা মামলার শিকার হয়েছেন, তাদের আইনি ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে মুক্ত করে আনতে তার ভূমিকা অগ্রগণ্য।
তার মানবিকতার পরিধি শুধু দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
ঋণগ্রস্ত মানুষের দায়মুক্তি কিংবা কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার পাশে দাঁড়িয়ে দিলখোলা দান—সবুজ চেয়ারম্যান যেন সাধারণ মানুষের শেষ ভরসাস্থল। তাই আগামীর এক নিরাপদ ও মানবিক বুড়িচং পৌরসভা গড়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি।রাজনীতি আর সমাজসেবা কে যিনি এক সুতোয় গেঁথেছেন, সেই সবুজ চেয়ারম্যান তার কর্মগুণেই আজ বুড়িচং পৌরবাসীর হৃদয়ে স্থায়ী আসন গেড়ে নিয়েছেন। সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন একটাই কথা—”বিপদে যার দেখা মেলে, তিনি আমাদের সবুজ চেয়ারম্যান।