
মহিবউল্লাহ কিরন, বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ
বরগুনা আমতলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মাদ্রাসা শিক্ষকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও ঘাতক বাস চালকের শাস্তির দাবীতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামি আন্দোলন বরগুনা জেলা ও আমতলী শাখার নেতৃবৃন্দ কর্মী ও মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের সেক্রেটারি ও আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া কামিল মাদ্রাসার আইসিটি প্রভাষক মাওলানা মো. রেজাউল করিম গতকাল ৫ই আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর বিজয় মিছিল শেষে বাড়ী যাওয়ার পথে বেপরোয়া গতিতে আসা পটুয়াখালী থেকে কুয়াকাটা গামী ছন্দা পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের চাপায় নিহত হন।
এঘটনায় আজ বুধবার আমতলী – কুয়াকাটা মহাসড়কের চৌরাস্তা ও এ.কে হাই স্কুল চৌরাস্তায় ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের বরগুনা জেলা আমতলী উপজেলার নেতৃবৃন্দ ও বেশ কয়েকটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।
এ সময় বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘাতক বাসটির মালিক ও চালককে শাস্তি প্রদান ও নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবী জানান।
দ্রুত এই দাবী মেনে নেয়া না হলে কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান।
উক্ত ঘটনায় গতকাল গভীর রাত ৩:৩০ পর্যন্ত আমতলী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি)
দেওয়ান জগলুল হাসান এর সাথে আমতলী উপজেলার ইশা.আন্দোলনের ও মাদ্রাসার প্রতিনিধিরা বৈঠক করেন এবং আজ বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকনুজ্জামান খান এর সাথে তার অফিসে বৈঠক হয়, পরবর্তীতে আমতলী পৌরসভার হল রুমে ইউএনও মহোদয় কোস্টগার্ড বাস মালিক সমিতির প্রতিনিধি ইশা.আন্দোলনের প্রতিনিধির সাথে বৈঠক হয়,বরগুনা ডিসি মহোদয়ের পক্ষে আমতলীর ইউএনও মহোদয় ও মালিক সমিতির সমন্বয়ে ৬/৭ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরনের আশ্বাস দেয়া হয়।
দফায় দফায় বৈঠকের পর প্রায় আড়াই ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ পালন করার পর উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভের ফলে পটুয়াখালী কুয়াকাটা মহা সড়কে ব্যাপক যানজটে জনদূর্ভোগ সৃস্টি হয়।
বেলা ৪টায় আমতলী পৌরসভা ঈদগাহ মাঠে প্রভাষক রেজাউল এর প্রথম জানাজার নামাজ ও পরে বিকেল ৫:৩০মিনিটে গুলিশাখালী ইউনিয়নের গোজখালী হাই স্কুল মাঠে জানাজার নামাজ শেষে তার নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়।