
আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :
অনেক আশা করে শাহাজাহান শেখ নামে এক ব্যক্তি নিজের পুকুরে করেছিলেন মৎস্য খামার, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও পুকুরে দিয়ে ছিলেন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। কিন্তু স্বপ্ন পূরণ হলো না তার, জমিজমা বিরোধে শত্রুতা করে রাতের আধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মেরে ফেললো সকল মাছ। মরা মাছের ছবি ও ভিডিও নিয়ে বিচারের দাবীতে প্রশাসনের দ্বারেদ্বারে ঘুরছেন পুকুর মালিক শাহাজান শেখ। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর জেলা আলফাডাঙ্গা উপজেলার হেলেঞ্চা গ্রামে। এ ঘটনায় শাহাজানের ভাই থানা ও মৎস্য অফিসে অভিযোগ দায়ের করলে সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা রিফাত আহমেদ ও থানা এসআই মফিজুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে বললেন ব্যক্তি সাথে শত্রুতার কারণে মাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে কোন বিচার না পেয়ে শেষমেশ ফরিদপুর আদালতের সমাপন্ন হলেন শাহাজাহান।
মামলা এজাহার সুত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুলাই শুক্রবার রাতে একই গ্রামের উজ্জ্বল শেখ গং ৭/৮ নিয়ে পুকুরে বিষাক্ত বিষ পানিতে ঢেলে দেয়।
এ সময় শাহাজাহান শেখ টর্চ লাইটের আলোয় আসামীগণদের দেখতে পান। আসামীগন শাহাজাহান কে একা পেয়ে মারধর করেন এবং বলে তুই টাকা দিস নাই,তাই তোর পুকুরে বিষ দিলাম বলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরদিন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরে পুকুরে গেলে দেখেন সকল মাছ মরে ভেসে উঠেছে। তারপর শাহাজাহান শেখ মৎস্য অফিসে ও থানায় লিখিত অভিযোগ দেন,তাতে কোন প্রতিকার না পেয়ে তিনি আদালতে সমাপণ হন। শাহাজাহান শেখ বলেন,চাদাঁর টাকা না দেওয়ায় আমার পুকুরে সব মাছ মেরে ফেললো, আমি স্থানীয় ভাবে বিচার না পেয়ে আদালতে মামলা করেছি,এখন মামলা করে বিপদে আছি যেকোন সময় উজ্জ্বল গং আমার উপর হামলা চালিয়ে আমাকে মেরে ফেলতে পারে।
জানতে চাইলে উজ্জ্বল শেখ বলেন, আমাদের সাথে জমাজমি নিয়ে ঝামেলা আছে, আমরা কেউ বিশ দিয়ে মাছ মারি নাই।
আদালত মামলাটি ২৮ জুলাই -২৫ ইং তারিখে শুনানি শেষে পিবিআই কে তদন্ত করা নির্দেশ প্রদান করেন।