
কামরুজ্জামান সোয়েব, টাংগাইল প্রতিনিধিঃ
টাংগাইলের সখীপুর উপজেলার বড় চওনা দেবরাজ এলাকার মরহুম সামাদ মুন্সির ছেলে আঃ বাছেদ মুন্সির (৫৫) পুরুষাঙ্গ কর্তন করেছে ঐ একই স্থানীয় এক প্রবাসীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী।
বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় গত ১৭ই আগষ্ট ২০২৫, বাছেদ মুন্সি ঐ প্রবাসীর স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে গাজীপুর কোনাবাড়ি এলাকায় তার এক আত্ত্বীয়ের বাসায় নিয়ে যায়।সেখানে অবৈধ যৌন মিলনকালে বনিবনা না হওয়ায় গোপনে ধারালো ব্লেড জাতীয় অস্ত্র দিয়ে বাছেদ মুন্সির পুরুষাঙ্গ কেটে দেয় ঐ প্রবাসীর স্ত্রী।
পরবর্তীতে বাছেদ মুন্সিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক অপারেশনের মাধ্যমে সেলাই দিয়ে তার লিঙ্গ ব্যান্ডেজ করে দেয়। বর্তমানে বাছেদ মুন্সি বাড়িতেই বিশ্রাম নিচ্ছেন।
স্থানীয় সাংবাদিক সহ আরো কয়েকজন সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাছেদ মুন্সির বাড়িতে গেলে তিনি তাদের কারোর সাথে কোন প্রকার সাক্ষাৎ দেয়নি।
এদিকে গত দুদিন আগে বাছেদ মুন্সি ও তার স্ত্রীকে নিয়ে সখীপুর থানায় মামলা করতে আসলে সখীপুর থানার ওসি আবুল কালাম ভুইয়া বলেন যেহেতু ঘটনাটি গাজীপুর কোনাবাড়িতে ঘটেছে সেহেতু মামলা গাজীপুরই করতে হবে।
বিষয়টি নিয়ে প্রথমে নিউজ করেন চ্যানেল এস এবং দৈনিক ভোরের কাগজের সাংবাদিক আহমেদ সাজু ও ইনকিলাব পত্রিকার সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম শরিফ। পর্যায়ক্রমে ঘটনাটি জানাজানি হলে অনেক সাংবাদিকই এ নিয়ে নিউজ করেন। সাংবাদিকরা নিউজ করায় বিভিন্ন মোবাইল ফোনে বাছেদ মুন্সির লোকজন সাংবাদিকদেরকে নানা হুমকি ধামকি দিচ্ছে।
এঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বড় চওনা ইউপির প্যাণেল চেয়ারম্যান আঃ আজিজ বলেছেন যে, আমি লিঙ্গ কাটার বিষয়টি মোবাইলে দেখেছি। এখনো কোন পক্ষ মামলা করে নাই। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করা হবে বলে শুনেছি। এদিকে প্রবাসীর স্ত্রীকে এখনো খোঁজে পাওয়া যায়নি বলে তার মতাতত জানা যায়নি।
স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এ ঘটনার জন্য বাছেদ মুন্সিকে দায়ী করে তার দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায় তিনি জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বড় চওনা ইউনিয়নের চার নং ওয়ার্ডের সভাপতি।