
মোঃ সুমন খান রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধিঃ
সনাতনী মুচকি হাসি পরিবার এর পক্ষ থেকে বাঙ্গালহালিয়া কুতুরিয়া পাড়া শ্রীশ্রী শিব মন্দিরের গীতা স্কুলের জন্য উপহার দিলেন একটি সাউন্ড বক্স।
শুক্রবার(২২ আগস্ট) রাঙ্গামাটি রাজস্থলী উপজেলার তিন নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের কুতুরিয়া পাড়া শ্রীশ্রী শিব মন্দিরের শিবকল্পতরু বৈদান্তিক গীতা বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য গতো ৯ আগস্ট রাজস্থলী উপজেলার একজন মানবসেবক গণমাধ্যম কর্মী সাংবাদিক মিন্টু কান্তি নাথ,তার নিজস্ব ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট করেন।শ্রীশ্রী শিব মন্দিরের গীতা স্কুলের কোমলমতি শিশু ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি ব্লুটুথ ডাবল মাইক্রোফোন সাউন্ড সিস্টেম দরকার। তখন সাংবাদিকের নিজস্ব ফেসবুকে আইডিতে দেওয়া পোস্ট-টি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েন। তখন হঠাৎ করে চোখে পড়ে একটি মানবিক সংগঠন সনাতনী মুচকি হাসি পরিবারের একজন সদস্যের কাছে। তখন সদস্য অজয় কর্মকার সনাতনী মুচকি হাসি পরিবার সংগঠনের সকলের সাথে যোগাযোগ করে কনফার্ম করেন। সাথে সাথে ফোন করে অজয় কর্মকার,সাংবাদিক মিন্টু কান্তি নাথ কে বলেন। আপনার দেওয়া ফেসবুক পোস্টে বাঙ্গালহালিয়া কুতুরিয়া পাড়া শ্রীশ্রী শিব মন্দিরের শিবকল্পতরু বৈদান্তিক গীতা বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সাউন্ড বক্সটি আমরা দিব।
আজ ২২ শে আগস্ট শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় কুতুরিয়া পাড়া শ্রীশ্রী শিব মন্দিরে সমাজ পরিচালনা কমিটির সকলকে সাথে নিয়ে উপহার স্বরূপটি হাতে তুলে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীশ্রী শিব মন্দিরের সমাজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি শ্যামল বিশ্বাস,সাধারণ সম্পাদক লিটন দাস,কোষাধক্ষ সুমন ঘোষ,প্রচার সম্পাদক টিপু মিএ,সাংবাদিক মিন্টু কান্তি নাথ,সনাতনী মুচকি হাসি পরিবারের পক্ষ থেকে অজয় কর্মকার ও বিকাশ কর্মকার,শিবকল্পতরু বৈদান্তিক গীতা বিদ্যাপীঠের গীতা শিক্ষক উজ্জল দেব সহ কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতি শ্যামল বিশ্বাস বক্তব্যে বলেন আমাদের শ্রীশ্রী শিব মন্দিরের শিবকল্পতরু বৈদান্তিক গীতা বিদ্যাপীঠের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আমাদের সহযোগিতা করেছেন সনাতনী মুচকি হাসি পরিবারের একটি সাউন্ড বক্স উপহার দিয়েছেন। এতে গীতা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উপকার হয়েছে বলে আমি আশা করি। সনাতনী মুচকি হাসি পরিবারের সকলের কাছে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
সাংবাদিক মিন্টু কান্তি নাথ বক্তব্যে বলেন এলাকার বাইরে অনেক মন্দিরে গিয়েছি, সে মন্দিরগুলোতে গিয়ে দেখছি, গীতা স্কুল চলাকালীন সময় গীতা শিক্ষক তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে একের পর আরেকজন থেকে মাইক্রোফোন হাতে দিয়ে গীতা স্কুলে দেওয়া পড়াগুলি মাইক্রোফোনের মাধ্যমে নিচ্ছে। আমি দেখে খুবই আনন্দিত হলাম,কারণ এত ছোট কাল থেকে হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে যদি কথা বলতে পারে। সেই ছাত্র-ছাত্রীরা কখনো যদি কোথাও গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা এবং বড় হয়ে যদি কোন বক্তব্য দিতে হয়। তাহলে তাদের ভয় থাকবে না।
তাই আমি চাই এই গীতা স্কুলে যতজন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে তারাও কিন্তু এরকমই হয়। কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা করার সময়, হাতে মাইক্রোনটি নিয়ে আশা করি কেউ ভয় পাবে না। কেননা তারা আগে থেকেই গীতা স্কুলে মাইক্রোফোনগুলি ব্যবহার করে আসছেন। এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমার ফেসবুকের পোস্ট দেখে যারা সাড়া দিয়েছেন সনাতনী মুচকি হাসি পরিবার-কে।
অর্থাৎ জ্ঞানের সমান পবিত্র আর কিছুই নাই। শিশুদের জ্ঞানার্জন শুরু হয় শৈশবে বর্ণ পরিচয় শিক্ষা,আদর্শলিপি পাঠ দ্বারা।সনাতনী শিশুদের বর্ণ পরিচয় শিক্ষা শুরু হােক পরম জ্ঞানী ভক্তবৎসল শ্রীভগবানের মুখনিঃসৃত শব্দব্রহ্ম দ্বারা, গীতা আদর্শলিপি ‘ বইয়ের মাধ্যমে।