
মোঃ রাশিদুল ইসলাম, বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কর্পূরকাঠী কমিউনিটি ক্লিনিকে দুই নারী স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে শারীরিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। ২৪ আগস্ট (রবিবার) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এতে সিএসসিপি সালমা গাজী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পরদিন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রউফ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটিতে রয়েছেন ডা. ফাতেমা (আরএমও), ডা. নুরজাহান (এমওডিসি) এবং মেডিকেল অফিসার তাসরিফ। তদন্ত দল সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বিষয়টি পর্যালোচনা করে রিপোর্ট দেবে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছেন ইউএইচএফপিও।
অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সালমা গাজী কর্পূরকাঠী কমিউনিটি ক্লিনিকে পৌঁছাতে বিলম্ব করেন। তিনি সকাল ৯:৪৫ মিনিটে ক্লিনিকে পৌঁছে দেখেন দরজায় তালা এবং অফিস সহায়ক বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন। এরপর নিজ চাবি দিয়ে তালা খুলে ক্লিনিকে প্রবেশ করেন।
এ সময় সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোসা. আইনুন নাহার উপস্থিত হয়ে জনসম্মুখে সালমা গাজীকে মোবাইল ফোন দিয়ে একাধিকবার আঘাত করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। তিনি দাবি করেন, আইনুন নাহার নিয়মিতভাবে তাকে সুপারভিশনের নামে হয়রানি করে আসছিলেন। আগেও তিনি বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছিলেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোসা. আইনুন নাহার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “সালমা গাজী প্রতিদিন দেরিতে ক্লিনিকে আসেন। আমি বিষয়টি জানতে চাইলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের ইনচার্জকে জানায়। আমি তার গায়ে কোনো হাত তুলি নাই।”
ঘটনাটি ইতোমধ্যে স্থানীয় স্বাস্থ্য দপ্তরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।