
বিলায়েত হোসেন লিটন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের নগরকান্দায় আসন্ন রোববার হতে শুরু হওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান দূর্গা পুজায় নিরাপত্তা কাজে যোগদান করার কর্মীদেরকে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন।
শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে পূজা মন্দিরে দ্বায়িত্ব পালনকারীদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেন তিনি।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম, সেকেন্ড অফিসার এসআই আমিরুল ইসলাম, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোসাঃ ফিরোজা বেগম, সহকারী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম প্রমুখ।
এবছর নগরকান্দায় মোট ৬১ টি পূজা মন্দিরে পূজা অর্পণ করবেন পূজারীরা। এর মধ্যে পৌরসভায় ১১ টি পূজা মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
নগরকান্দা সদর বাজারের স্বার্বজনীন পূজা মন্দির, বালিয়া ডাঃ রনদা প্রসাদ সরকারের পারিবারিক দূর্গা মন্দির, জগদিয়া হাসপাতাল সংলগ্ন পূজা মন্দির, বাবু ভীম রঞ্জনের পারিবারিক মন্দির, নগরকান্দা মজুমদার বাড়ী মন্দির, চৌমুখা স্বার্বজনিন পূজা মন্দির, চাঁদহাট পূজা মন্দির, কানাই দত্তের পারিবারিক পূজা মন্দির, পুড়াপারা বাজার পূজা মন্দির, তালমা বাজার পূজা মন্দির উল্লেখযোগ্য। এসকল পূজা মন্দিরে পূজারীদের ভীর লখ্যে করা যায়।
উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি ডাঃ রনদা প্রসাদ সরকার বলেন, এছর দেবী দূর্গা হাতিতে আগমন করবে ও দোলায় করে গমন করবেন।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন,পূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রতিটি মন্দিরে প্রযাপ্ত নিরাপত্তা কর্মী তাদের দায়িত্ব পালন করবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন বলেন, পূজা চলাকালীন সময়ে সন্মানিত জেলা প্রশাসক স্যার মন্দির পরিদর্শনে আসবেন, এছাড়া আমি নিয়মিত উপজেলার সব মন্দিরে সার্বক্ষনিক মনিটরিং করবো।
এবছর সালথা উপজেলায় ৪২ টি পূজা মন্দিরে দূর্গা পূজা উদযাপন করা হবে।