
আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি :
সরলতার সুযোগে এক দরিদ্র গৃহবধূ ভূমি ক্রয়ের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ তাছলিমা খানম স্থানীয় ভাবে সমাধান না পেয়ে প্রতারক রাকিবুল হাসান ও সহযোগী মিলন সর্দার, সুমাইয়া খানম ও রুহল বিশ্বাস এর নামে ফরিদপুর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৮ নং আমলী আদালতে ভূমি জালিয়াতির আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ এবং সহায়তা করার অপরাধে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩ এর ৫/১৬/২০(২) এ ধারায় মামলা দ্বায়ের করেন। মামলাটি বোয়ালমারী থানা ওসির নির্দেশে এস আই মাহামুদ হাসান তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করেন।
মামলা সুত্রে জানা যায়, শেখর ইউনিয়ন ছত্রকান্দা মৌজার বিএস ১৭ নং খতিয়ানের ১০৪ নং জমির ১০১শতাংশ মধ্যে ৬.৬২শতাংশ ও ১০৭নং দাগে ৬২শতাংশের মধ্যে ৪.০৬ শতাংশ মোট ১০.৬৮শতাংশ জমি পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া জমি ১ নং আসামী রাকিবুল হাসান ও ৩নং আসামী সুমাইয়ার সহযোগিতায় বাদী তাসলিমা খানমের নিকট থেকে নগদ ৯,৫০.০০০/হাজার টাকা গ্রহণ করে তফশিল বর্ণিত জমি রেজিস্ট্রি করে নেয়। যার দলিল নং ৩১/২৫,তারিখ ০২/০১/২০২৫ইং। কিন্তু সুচতুর আসামিগণ প্রতারণার মাধ্যমে বাদীর ক্ষতি সাধণের উদ্দেশ্য সকল আসামীদের যোগসাজশে বাদীর উক্ত তফসিল ভুক্ত জমি রেজিস্ট্রার করার পূর্বে (একদিন আগে-(০১/০১/২০২৫) তারিখে -১৫/২৫ নং দলিল মুলে ১নং আসামীর স্ত্রী অথ্যাৎ ৩নং আসামী সুমাইয়ার নামে রেজিস্ট্রি করে রাখে। জানতে চাইলে এ্যাডভোকেট জালাল আহমেদ বলেন, ১নং আসামী তফসিল ভুক্ত জমি তার স্ত্রীর নামে পূর্বেই জমি রেজিস্ট্রি করিয়া বাদীর সহিত প্রতারণা করিয়া বাদীর নিকট থেকে ৯,৫০.০০০/টাকা আত্মসাৎ করিয়াছে। বর্তমান মামলাটি আদালতে চলমান রয়েছে। মামলা নং – বোয়ালমারী থানা সিআর-১৬৭/২০২৫ইং। থানার এস আই মাহমুদুল হাসান বলেন,মামলাটি ওসি স্যার আমাকে তদন্তভার দেন,আমি তদন্ত করে মামলার সত্যিতা পেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছি। খোজ খবর নিয়ে জানাযায় ১নং আসামী অন্য মামলায় জেল হাজতে রয়েছে।